মুহাম্মদ (সঃ) এর মান এত ঠুনকো না যে, কেউ তার নামে নি’ন্দা করলেই সব শেষ যাবে

ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যদি জোর করতেন, তাহলে

ইসলামের এত প্রসার ঘ’টত না। আর হজরত মুহাম্মদের মান এত ঠুনকো না যে, কেউ

তার নামে নিন্দা দিলেই সব শেষ হয়ে গেল। ধর্মের ব্যাপারে তো তিনিই বাড়াবাড়ি করতে

মানা করে গেছেন। আমরা তা মানছি না কেন?

বলছিলেন, উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও সমাজচিন্তক হাসান আজিজুল

হক। ধর্ম অবমাননা এবং তার প্র’তিবা’দের ধরন প্রসঙ্গে জাগো নিউজের পক্ষ থেকে

মতামত জানতে চাওয়া হয় তার কাছে।

হাসান আজিজুল হক বলেন, ‘ফ্রান্সে যা হয়েছে, তা দুঃ’খজনক। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নবী

মুহাম্মদকে নিয়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে মন্তব্য করে রাজনীতি করছেন। এটি কোনোভাবেই

সমর্থন করা যায় না। কিন্তু তাই বলে অবমা’ননাকা’রীকে হ”ত্যাও সমর্থন করতে পারি না।

হজরত মুহাম্মদের শিক্ষাও এমন না। হিং’সা বা জোর করে ইসলামের প্রসার ঘটেনি।

ইসলামের প্রসার ঘ’টেছে শ্রদ্ধা-ভালোবাসার মাধ্যমে। আমরা এটি ভুলে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘অন্য ধর্ম বা ধর্মের মানুষকে কোনোভাবেই আ’ঘা’ত করা সমু’চিত হতে

পারে না। ধর্ম অবমা’ননা হলে অবশ্যই প্র’তিবা’দ হতে হবে। তবে শান্তিপূর্ণ এবং মানুষের

প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। কিন্তু সম্প্রতি যা ঘ’টছে, তা খুবই আ’ত’ঙ্কের। কথায় কথায় অবমা’ননা

করা হচ্ছে আবার শা”স্তিও দেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি কোরআন অবমাননার অ’ভিযো’গ এনে

পু’ড়ি’য়ে হ”ত্যা করা হলো। কী নি’র্ম’ম! অথচ তিনি কোরআন অবমা’ননা করেননি বলে

প্রমাণ মিলছে। এটি একটি সুস্থ-সমাজের চিত্র হতে পারে না।’

এই সমাজবিশ্লেষক বলেন, ‘ধর্মের নামে সবাই উ’গ্র হয়ে যাচ্ছে। নবী মুহাম্মদ কখনই

উ’গ্রতা’কে সমর্থন করেননি। অন্য ধর্মের মানুষকে ঘৃ’ণা দেয়ার পরিবর্তে ভালোবাসা দিয়ে

গেছেন। তার ভালোবাসার কারণেই একটি অস’ভ্যজাতি সভ্য হয়েছে। ধর্মের নামে

বাড়াবাড়ি তিনি একদম পছন্দ করতেন না।

হাসান আজিজুল হক বলেন, তিনি (হজরত মুহাম্মদ) বলেছেন, সবাই আল্লাহর বান্দা।

হজরত যা বলে গেছেন এর বাইরে আর কিছু বলার প্রয়োজন নেই মা’নবজা’তির জন্য।

এটি আমাদের বুঝতে পারার ব্যাপার। বিশেষ করে ইসলামের সেবকরা আরও সহনশীল

এবং মানুষকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে কাছে টানবে। অথচ আমরা সর্বত্র উ’গ্রতাকেই

দেখতে পাচ্ছি।

এটি সমাজের জন্য ভ’য়’ঙ্ক’র বার্তা দিচ্ছে। মানুষ ধর্মকে ভ’য় পাচ্ছে। সমাজ ন’ষ্ট হচ্ছে

ধর্মের কারণে এটি কেউ কেউ বিশ্বাস করছে। অথচ ধর্ম শান্তির কথা বলে, কল্যাণের কথা

Author: hasib

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *